শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০১৯

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

পলিটেকনিকে ভর্তির সময় ৮ দিন বাড়লো

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

ঢাকা : ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে ভর্তি আবেদনের সময় ৮ দিন বাড়ানো হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১২ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল।

১৬ জুন একাদশে ভর্তির আবেদনের ফলাফল দেবে। ১২ তারিখে কারিগরিতে ভর্তির আবেদন বন্ধ করে দিলে, ওদিকে ১৬ তারিখের ফলাফলে কেউ সুযোগ না পেলে তখন দেখা যাবে তার ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা দরজা তো খোলা রাখতে হবে। যাতে কোনো শিক্ষার্থী বিপদে না পড়ে। আমরা মিটিংয়ে বসেছিলাম। এ বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ২০ জুন পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

 ২৬ জুন মনোনীতদের মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকার ভর্তি ২৭-৩০ জুন। অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি ২-২৫ জুলাই পর্যন্ত। ক্লাস শুরু ১৬ আগস্ট থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.techedu.gov.bd) দেয়া আছে।

রবিবার, ১২ জুন, ২০১৬

একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় আরো ২ ঘণ্টা বাড়লো

একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় আরো ২ ঘণ্টা বাড়লো

ঢাকা : দ্বিতীয় দফায় একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়লো। শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাবে। কোনো রকম টাকা জমা দেয়ার সুযোগ নেই। যারা টাকা জমা দিয়েছে শুধু তারাই আবেদন করতে পারবেন। গতকাল রাতে বিশেষ বিবেচনায় শুক্রবার ১০ টা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অনুরোধে আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়েছে বলে বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটিরর চেয়ারম্যা প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান।

 বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন (শুক্রবার) রাত সোয়া ১২ টার হিসেব অনুযায়ী ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪৩ জন ভর্তিচ্ছু ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫৪ টি আবেদন করেছে। ১৬ জুন মনোনীতদের মেধানুযায়ী তালিকা আবেদনকৃত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করবে। ১৮ থেকে ২২ জুন মেধা তালিকা এবং ২৩ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অপেক্ষমান তালিকার ভর্তিচ্ছুরা পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। তবে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে। ১০ জুলাই একাদশের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।

ঢাকা : দ্বিতীয় দফায় একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়লো। শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাবে। কোনো রকম টাকা জমা দেয়ার সুযোগ নেই। যারা টাকা জমা দিয়েছে শুধু তারাই আবেদন করতে পারবেন। গতকাল রাতে বিশেষ বিবেচনায় শুক্রবার ১০ টা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অনুরোধে আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়েছে বলে বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটিরর চেয়ারম্যা প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান।

একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় আরো ২ ঘণ্টা বাড়লো

 বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন (শুক্রবার) রাত সোয়া ১২ টার হিসেব অনুযায়ী ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪৩ জন ভর্তিচ্ছু ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫৪ টি আবেদন করেছে। ১৬ জুন মনোনীতদের মেধানুযায়ী তালিকা আবেদনকৃত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করবে। ১৮ থেকে ২২ জুন মেধা তালিকা এবং ২৩ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অপেক্ষমান তালিকার ভর্তিচ্ছুরা পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। তবে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে। ১০ জুলাই একাদশের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।

ঢাকা : দ্বিতীয় দফায় একাদশে ভর্তির আবেদনের সময় আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়লো। শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাবে। কোনো রকম টাকা জমা দেয়ার সুযোগ নেই। যারা টাকা জমা দিয়েছে শুধু তারাই আবেদন করতে পারবেন। গতকাল রাতে বিশেষ বিবেচনায় শুক্রবার ১০ টা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অনুরোধে আরো দুই ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়েছে বলে বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটিরর চেয়ারম্যা প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান।

 বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন (শুক্রবার) রাত সোয়া ১২ টার হিসেব অনুযায়ী ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪৩ জন ভর্তিচ্ছু ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫৪ টি আবেদন করেছে। ১৬ জুন মনোনীতদের মেধানুযায়ী তালিকা আবেদনকৃত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করবে। ১৮ থেকে ২২ জুন মেধা তালিকা এবং ২৩ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অপেক্ষমান তালিকার ভর্তিচ্ছুরা পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে। তবে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তির সুযোগ থাকছে। ১০ জুলাই একাদশের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।
রাবিতে ২ ছাত্রলীগকর্মীকে মারধোর

রাবিতে ২ ছাত্রলীগকর্মীকে মারধোর

রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রায়হানুল ইসলাম রিংকু ও সাইফুল ইসলাম নামে দুই ছাত্রলীগকর্মীকে মারধোর করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা উভয়েই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

 প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সহপাঠী সূত্রে জানাযায়, ‘রিংকু-সাইফুল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেলস্টেশন প্লাটফর্মে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ ৩/৪ জন এসে সাইফুলের ওপর রড দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। পরে তারা রায়হানুল ইসলাম রিংকুকেও রড দিয়ে মেরে গুরুতর আহত করে। এতে রিংকুর মাথা ও পিঠে গুরুতর জখম হন এবং সাইফুলও আহত হন।

হামলাকারী ওই দল দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং যাওয়ার সময় একটি ল্যাপটপ ও দুটি ফোন নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলের পাশেই অবস্থান করা সহপাঠীরা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (রামেক) নিয়ে যায়। আহত সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কেনো কারণ ছাড়াই আমাদের মারা হয়েছে। কী কারণে মারা হয়েছে জানি না।

আমরা ওদের কাউকে চিনতে পারিনি।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মজিবুল হক আজাদ খান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি জেনেছি। তবে এটা কোনো রাজনৈতিক ব্যাপার না। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে হতে পারে।’

রাবিতে ২ ছাত্রলীগকর্মীকে মারধোর

রাবি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রায়হানুল ইসলাম রিংকু ও সাইফুল ইসলাম নামে দুই ছাত্রলীগকর্মীকে মারধোর করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা উভয়েই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

 প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সহপাঠী সূত্রে জানাযায়, ‘রিংকু-সাইফুল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন রেলস্টেশন প্লাটফর্মে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এমন সময় হঠাৎ ৩/৪ জন এসে সাইফুলের ওপর রড দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। পরে তারা রায়হানুল ইসলাম রিংকুকেও রড দিয়ে মেরে গুরুতর আহত করে। এতে রিংকুর মাথা ও পিঠে গুরুতর জখম হন এবং সাইফুলও আহত হন।

হামলাকারী ওই দল দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং যাওয়ার সময় একটি ল্যাপটপ ও দুটি ফোন নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলের পাশেই অবস্থান করা সহপাঠীরা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (রামেক) নিয়ে যায়। আহত সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কেনো কারণ ছাড়াই আমাদের মারা হয়েছে। কী কারণে মারা হয়েছে জানি না।

আমরা ওদের কাউকে চিনতে পারিনি।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মজিবুল হক আজাদ খান বলেন, ‘আমি ঘটনাটি জেনেছি। তবে এটা কোনো রাজনৈতিক ব্যাপার না। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে হতে পারে।’
দুর্নীতি করলে দোজখের আগুনে জ্বলতে হবে

দুর্নীতি করলে দোজখের আগুনে জ্বলতে হবে

শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, ‘দুর্নীতি করলে দোজখে গিয়ে জ্বলে, পুড়ে মরতে হবে। ভালো কাজ করলে জান্নাতে গিয়ে আপেলও খেতে পারবেন। কিছু হলেই হাইকোর্টে দৌড়, হাইকোর্টেও নিয়ম তৈরি হচ্ছে। কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। আমি দুর্নীতি করলে আমাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে।’ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক, সেসিপ প্রোগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) এএস মাহমুদ এবং অতিরিক্ত সচিব (অর্থ ও প্রশাসন) ড. অরুণা বিশ্বাস।

 শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের মোটরসাইকেল দেয়া হয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে হবে। হাঁটার গতিতে রিপোর্ট আসলে হবে না, এখন থেকে বাইকের গতিতে রিপোর্ট করতে হবে। প্রত্যেকে যার যার কাজের এরিয়া যথাযথভাবে পরিদর্শন করে রিপোর্ট জমা দিবেন। আপনাদের কাজের গতি বাড়ানোর জন্যই এতো আয়োজন।’ সেসিপ প্রোগ্রামের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে সরকারের ৫৫ শতাংশ এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবির) ৪৫ শতাংশ অর্থ রয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমরা দান, দক্ষিণা, লিল্লাহ নিতাম। এখন আমরা লোন নিচ্ছি। যা আমরা পরিশোধ করতে পারছি। সে ক্ষমতা আমাদের হয়েছে। লোন পরিশোধ বা নিজেদের অর্থায়ন যাই বলি না কেন সবই জনগণের করের টাকায় করতে হয়। জনগণের টাকার সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। আমাদের শিক্ষা পরিবার দেশের সবচেয়ে বড় পরিবার। প্রায় ৫ কোটি সদস্য আমাদের এ পরিবারে। প্রত্যকে যদি এক পয়সা করে বাচাতে পারি, ৫ কোটি পয়সা।

দুর্নীতি করলে দোজখের আগুনে জ্বলতে হবে


এক মিনিট করে বেশি কাজ করলে ৫ কোটি মিনিট, এ ধরনের ধ্যান-ধারণা তৈরি করতে হবে।’ সারা দেশে সেসিপের প্রায় ৬০০ কার্যালয় আছে। এসব কার্যালয়ের অধীনে প্রায় ৩০ হাজার মাধ্যমিক স্কুল মাদরাসা পরিচালিত হয়। রোববার একই মডেলের ৩১৩টি মোটরবাইক বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত সেসিপের শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। নায়েম মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিভিন্ন থানার প্রায় ৩৩ জন শিক্ষা কর্মকর্তাদের হাতে বাইকের কাগজপত্র ও চাবি তুলে দেয়া হয়।

এর মধ্যে পুরুষ ১৮ জন, নারী ১৫ জন। পুরুষ এবং নারীদের জন্য একই মডেলের বাইক দেয়ায় আপত্তি তুলেছেন মোটরবাইক পাওয়া কয়েকজন নারী। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নারীদের জন্য নারীদের উপযোগী বাইক প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। নিয়ম না থাকার কারণে নারীদের জন্য তাদের উপযোগী বাইক প্রদান করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে পুরুষের উপযোগী করে বানানো বাইক নারীদের ব্যবহারে বেশ সমস্যায় পড়তে হবে বলে মনে করেছেন তারা।

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে এবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সহকারী পরিচালক ওমর সিরাজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল শুক্রবার সকালে এই পরীক্ষা চলার সময় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই সময় ইউজিসি কার্যালয়ে ওমর সিরাজের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে প্রশ্নপত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেছেন, চক্রটি ব্লুটুথ মাস্টারকার্ডসহ কিছু ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষাকেন্দ্রে উত্তর সরবরাহ করছিল। চক্রটি কৃষি অফিসার ও সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি র‌্যাব কর্মকর্তাদের।

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার


মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে এর আগে মহাখালী থেকে আটক করা চারজনকে গত বৃহস্পতিবার একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল সকালে ভর্তি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে একটি চক্র মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ দেখা গেছে, এসব প্রশ্নপত্র পুরোটাই ভুয়া। এর সঙ্গে আসল প্রশ্নের কোনোই মিল নেই। তবে যে চক্রটি এমন কাজে জড়িত তাদের বের করা হয়েছে। তারা সফল হতে পারেনি। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, গতকাল সকালে ইউজিসি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে ওমর সিরাজ এবং তাঁর সহযোগী রেজাউল করিম ও ইশান ইমতিয়াজ হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। 

ইউজিসির সহকারী পরিচালক সিরাজ প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর কক্ষ থেকে আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজটি সহজে করার জন্য সম্প্রতি চীন থেকে একটি অত্যাধুনিক মেশিনও এনেছেন। মুফতি মাহমুদ খান আরও জানান, ওমর সিরাজ কৃষি ব্যাংকের অফিসার নিয়োগ, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সহকারী জজ নিয়োগসহ বেশ কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর কাছ থেকে গত বছরের সহকারী জজ পরীক্ষার ২৩টি উত্তরপত্র, দুটি প্রশ্নপত্র, দুই লাখ টাকা, সরকারি দপ্তরের সিল ও চেক উদ্ধার করা হয়। গতকালের পরীক্ষায় চারজনকে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। র‌্যাব বিষয়টি বুঝতে পেরে বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর ওপর নজরদারি করছিল। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, ওমর সিরাজ এই চক্রের মূল হোতা। তিনটি ধাপে তাঁরা প্রশ্নপত্র জালিয়াতি করেন। প্রথম ধাপের ব্যক্তি পরীক্ষার্থী হয়ে কেন্দ্রে ঢুকে বাইরে প্রশ্নপত্র বের করে দেয়।


দ্বিতীয় ধাপে এই প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে সিরাজকে তা সরবরাহ করে। রেজাউল ও হৃদয় এই কাজটি করছিল। তৃতীয় ধাপে সিরাজ ও তাঁর সহযোগীরা চীন থেকে আনা মাস্টারকার্ড ও ব্লুটুথের মাধ্যমে উত্তর পাঠান। পরীক্ষার্থী কানের কাছে লাগানো ছোট আকারের ডিভাইসে উত্তর শুনে খাতায় লেখেন। ইশান ২০১০ সালে এইচএসসি পাস করেন। রেজাউল করিম জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের স্টোরকিপার ছিলেন। তবে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। সহকারী জজ পরীক্ষায় পরে উত্তরপত্র জমা দিয়েও জালিয়াতি করেন রেজাউল। ওমর সিরাজের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন একই উপায়ে পরে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। র‌্যাব কর্মকর্তারা আরো জানান, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ১৫ লাখ, কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তার জন্য ছয় লাখ এবং সহকারী জজের জন্য ১০ লাখ টাকা করে নিত চক্রটি। ইউজিসির উপসচিব (জনসংযোগ) মো. ওমর ফারুখ জানান, গতকাল অফিস বন্ধ থাকলেও র‌্যাবের অভিযানের খবর পেয়ে তাঁরা অনেকেই ছুটে যান। র‌্যাব ইউজিসির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেনি। বিষয়টি তাঁদের কাছে এখনো স্পষ্ট নয়। 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মহাখালী ডিওএইচএস থেকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে চারজনকে আটক করেছিল র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে ৩৮ হাজার টাকা এবং এক কোটি ২১ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছিল। মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে সুষ্ঠুভাবে: এদিকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা গতকাল সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একযোগে দেশের ২৩টি কেন্দ্রের ৪৫টি ভেন্যুতে এ পরীক্ষায় মোট ৮৪ হাজার ৭৮৪ জনের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও কিছুসংখ্যক আবেদনকারী পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হননি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। 


সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান প্রতিবেদককে বলেন, এবার সরকারি ৩০টি ও বেসরকারি ৬৫টি মিলিয়ে মোট ৯৫টি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ৯ হাজার ২১২টি এবং সরকারি ৯টি, বেসরকারি ২৪টি ডেন্টাল কলেজ ও ইনস্টিটিউটের বিডিএস কোর্সের এক হাজার ৮৭৭টি আসনের বিপরীতে মোট ৮৪ হাজার ৭৮৪ জন ভর্তীচ্ছু আবেদন করেছিলেন। তবে কিছু আবেদনকারী অংশ নেননি। আর পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। বাইরের কোনো ঘটনা বা গুজব পরীক্ষার ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।